অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ঠাকুরবাড়ীর আদলে প্রস্তুত বিভিন্ন পদে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। সাহিত্য ও খাদ্যসংস্কৃতির এই অভিনব মেলবন্ধন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউটাউন: সে যুগে ঠাকুরবাড়ীর হেঁসেলে নিয়মিত তৈরী হতো দু-বাংলার ফিউশনে সব আশ্চর্য পদ। এ-বাড়ীর আরো অনেকের মতো রবীন্দ্রনাথও ছিলেন আদ্যন্ত খাদ্যরসিক। ঠাকুরবাড়ীর হেঁসেলের সে-সব পদ নিয়ে বাঙালি পরবর্তীকালে রীতিমতো গবেষণা চালিয়েছে। এবার পঁচিশে বৈশাখের স্মরণে এক আত্মঘন অনুষ্ঠানে রবিঠাকুরের প্রিয় পদ নিয়ে একটি অন্যভাবনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল অভিক্রম পত্রিকা ও আবৃত্তিজনেরা যৌথভাবে। ১০মে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের নিউটাউন এলাকার হৃদকুঞ্জে এই অনুষ্ঠানে ‘ঠাকুরবাড়ীর হেঁসেল ও খাদ্যরসিক রবীন্দ্রনাথ’ বিষয়ে আলোচনা করলেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী তথা বাঙালির গর্বের মানুষ শুভেন্দু মাইতি ও গবেষক ড. সত্রাজিৎ গোস্বামী। পাশাপাশি, গানে-কবিতায় রবীন্দ্র-শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান প্রবাদপ্রতিম থিয়েটারজন গৌতম হালদার, দ্যুতি হালদার। অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন নৃপেণ চক্রবর্তী, সনৎ দে, গৌরব চক্রবর্তী, রাজীব ঘাঁটি, রেইনি চৌধুরী, বাবলি মুখোপাধ্যায়, রিনা গিরি, মলয় ঘোষ, দিব্যমা রায়। আবৃত্তিজনেরা-র সদস্যরা আবৃত্তি উপস্থাপন করেন। মৌমিতা সাহা অংশ নেন নৃত্যে। আহ্বায়ক সুদীপা রায় পরিবেশন করেন আবৃত্তি। আয়োজকদের পক্ষে অভিক্রম-সম্পাদকঅমিত জানান, এদিন ঠাকুরবাড়ীর পদ দিয়েই আহার করানো হয় সকলকে।
