অব্যবহৃত বস্তু দিয়ে তৈরী ক্যানভাসে যখন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ ফুটে ওঠে কিম্বা ছবিতে শ্রী চৈতন্যদেবের কৃষ্ণপ্রেম মূর্ত হয়, তা দর্শক তথা বুদ্ধিজীবীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
সুমন গাঙ্গুলী, হাওড়া, ২৩ ফেব্রুয়ারী : – ছবি কথা বলে আর এই ধারণাকে আশ্রয় করে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান ছবি আঁকাকে শিল্পের পর্যায়ে উন্নীত করেছে, নান্দনিক শিল্পাশ্রম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ২১ ফেব্রুয়ারী থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারী নান্দনিক শিল্পাশ্রমের বার্ষিক অনুষ্ঠান ও হস্তশিল্প কর্মশালার আয়োজন হয়ে গেল হাওড়া বেলগাছিয়ায়। এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার চিত্রশিল্পী সুবীর সেনের বক্তব্য অনুযায়ী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ছবি আঁকার নতুন মাধ্যম পারফর্মিং আর্টের সঙ্গে ছাত্রছাত্রী তথা সমাজের প্রত্যেকের পরিচিতি ঘটানো। মনের রাগ, দুঃখ, অভিমান, অনুরাগ, ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম যদি ছবি হয়, তাহলে তা অন্য মাত্রা পায়। দশ বছরের পথচলায় অনেক নতুন সৃষ্টি রূপ পরিগ্রহ করেছে এবং তার প্রদর্শনী ছিল এই দিনগুলির প্রদর্শনীর মূল বিষয়বস্তু। অব্যবহৃত বস্তু দিয়ে তৈরী ক্যানভাসে যখন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ ফুটে ওঠে কিম্বা ছবিতে শ্রী চৈতন্যদেবের কৃষ্ণপ্রেম মূর্ত হয়, তা দর্শক তথা বুদ্ধিজীবীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ডাক্তার পিয়ালী সাহা, সৌম্য ঘোষ, শিল্পী হিরণ্ময় দাস মঞ্চের উজ্জ্বলতা বাড়ান এবং তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে ছবি আর মনের সংযোগ ব্যক্ত হয়। উপস্থিত প্রত্যেকেই নান্দনিক শিল্পাশ্রমের এই উদ্যোগ কে স্বাগত জানান। ছাত্রছাত্রীদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং তাঁদের অনুভূতির ব্যঞ্জনা প্রত্যেকটি ছবি বা পোশাক বা ছবির বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে। ছবিকে কেন্দ্র করে নৃত্য, আবৃত্তি দর্শকদের মোহিত করে এবং সকলেই নান্দনিক শিল্পাশ্রমের শিল্পী পরিবারটিকে উজ্জ্বল আগামীর শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানান।
